মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সাধারণ তথ্য

 

গত৩০/০৪/২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর অধীনে বাস্তবায়নাধীন" হারমোনাইজেশন এন্ড ডিসেমিনেশন অব ইউনিফাইড এগ্রিকালচারা লপ্রোডাকশন স্ট্যাটিসটিকস" শীর্ষক প্রকল্প কর্তৃক আয়োজিত ধানের উৎপাদন হার নিরুপন পদ্ধতি বিষয়ক মানিকগঞ্জ জেলার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণের০২(দুই) দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে পরীক্ষামূলক ভাবে সার্কুলার পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক ধানকর্তন অনুষ্ঠান জনাব মো:রফিকুল ইসলাম আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অফিসার, ঢাকাঅঞ্চল, জাতীয়পরার্মশক, অতিরিক্ত পরিচালক, জনাব মো: মহসীন মিয়া, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা অঞ্চল, জনাব মো: রফিকুল ইসলাম, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা জেলা, মাস্টার ট্রেইনার জনাব মি. মাসুদ রেজা, শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা এবং প্রশিক্ষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ৩৫ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ পরীক্ষামূলক ধান কর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিতছিলেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে আলোচিত হয়, কৃষি প্রধান দেশবাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপন্ন হয় তার মধ্যে ধান অন্যতম। খাদ্যেস্বয়ং-সম্পূর্ণতা অর্জন, বিশাল জন গোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণ, খাদ্য নিরাপত্তা বিধানে বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারীদেশ হিসেবে ধানের উৎপাদন ও এর সঠিক হিসাব নিরুপণের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের প্রায় ১৬ কোটির অধিক মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। তাই দেশের বিশাল খাদ্য চাহিদা যথাযথভাবে নিরুপণের জন্য ধানের উৎপাদন হিসাব নির্ণয়করা অপরিহার্য। কৃষিখাতের উন্নয়নের জন্য কৃষি সম্প্রসার ণবিভাগের ভূমিকা অপরিসীম। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ব্যাপক কর্মকান্ডের ফলে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন। জাতীয় পরিসংখ্যানসংস্থা National Statistical Organization (NSO) হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো অফিসিয়াল পরিসংখ্যান প্রকাশ করে থাকে। মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ পাশ হয়েছে যা পরিসংখ্যান ব্যুরোরদায়-দায়িত্ব ও কার্য পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে। কৃষি পরিসংখ্যানের মানউন্নয়নের লক্ষ্যে গত ১১ এপ্রিল, ২০১২ মাননীয় কৃষিমন্ত্রী, মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী এবং মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রীর উপস্থিতিতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্যব্যব স্থাপনাবিভাগ কর্তৃক একটি আলোচনাস ভাকরা হয়। উক্ত সভায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং স্পারসো এর মধ্যেসু-সমন্বয়ের মাধ্যমে কৃষি পরিসংখ্যান প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতেদেশে ধানের উৎপাদন হার নির্ণয় প্রক্রিয়াটি যাচাই বাছাইয়ের লক্ষ্যে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ কর্তৃক গত বছর "হারমোনাইজেশন এন্ড ডিসেমিনেশন অব ইউনিফাইড এগ্রিকালচারাল প্রোডাকশন স্ট্যাটিসটিকস" শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয় যাসরকার কর্তৃক ১৮ জুলাই ২০১২ তারিখে অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটি FAO এর আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে, প্রকল্প টি গ্রহণের পরেই এর কার্যক্রমশুরু হয়। প্রকল্পটি একটি 17-18 October Inception Workshop সহনভেম্বর-ডিসেম্বর, ২০১২ মাসে FAO কর্তৃক প্রকল্পে নিয়োগকৃত পরামর্শকগণের সহায়তায় রাজশাহী ও বরিশাল জেলায় আমনহারভেষ্টিং মৌসুমে পরীক্ষা মূলক শস্য কর্তন পরিচালনা করা হয়। এই পরীক্ষামূলক শস্যকর্তনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। এই পরীক্ষামূলক শস্যকর্তন বিবিএস, ডিএই ও স্পারসোর কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেন।
পরীক্ষামূলকশস্যকর্তনেপ্রাপ্তফলাফলেরউপরভিত্তিকরেপরামর্শকগণকর্তৃকসুপারিশকৃতনমুনাশস্যকর্তনমেথডোলজীপ্রকল্পেরস্টিয়ারিংকমিটিসহআন্তঃমন্ত্রণালয়কমিটিওটেকনিক্যালকমিটিকর্তৃকযথেষ্টপরিমাণেপর্যালোচনাপূর্বকঅনুমোদনকরাহয়।
এছাড়াওঢাকাঅঞ্চলেরমানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জএবংনরসিংদীজেলায়অনুরুপকর্মশালাঅনুষ্ঠিতহয়।


Share with :
Facebook Twitter